এই ওয়েবসাইটে আর আপডেট হবে না। আমাদের নতুন সাইট Parstoday Bangla
মঙ্গলবার, 16 ফেব্রুয়ারী 2016 22:56

ক্যান্সার চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটাবে ‘জীবিত ওষুধ’-টিকার কাজও করবে

ক্যান্সার চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটাবে ‘জীবিত ওষুধ’-টিকার কাজও করবে

১৬ ফেব্রুয়ারি (রেডিও তেহরান): ক্যান্সার চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটাতে চলেছে ‘জীবিত ওষুধ।’ আর এ চিকিৎসা পদ্ধতি শিগগিরই সব ক্যান্সার রোগীর জন্য সহজলভ্য হবে। এমন আশার কথা শুনিয়েছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। এ পদ্ধতিতে কেবল ক্যান্সারের চিকিৎসাই হবে না বরং এ রোগ যেন আর ফিরে আসতে না পারে তাও নিশ্চিত করা হবে। অর্থাৎ টিকার মতোও কাজ করবে এ ‘জীবিত ওষুধ।

 

অবশ্য এ পদ্ধতি লিউকেমিয়া নামে পরিচিত রক্তের ক্যান্সারসহ কথিত তরল ক্যান্সার চিকিৎসায় কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে এ পদ্ধতি। যে সব ক্যান্সারে শরীরে টিউমারের মতো শক্ত ও নিরেট আকৃতির পিণ্ড তৈরি হয় সে সব ক্ষেত্রে এটি তেমন কার্যকর হয় নি।

 

এ কথা আজকাল অনেকেই জানেন, দেহ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লড়াকু সেনা হলো টি-সেল। এরা সবাই বিশেষজ্ঞ যোদ্ধা। অর্থাৎ যে টি-সেল কলেরার বিরুদ্ধে লড়বে সে কখনো কোনো অবস্থায়ই আমাশয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না। এমন কি আমাশয়ে জীবাণুকে সে শনাক্ত করতেও পারবে না। নতুন চিকিৎসা পদ্ধতিতে রোগীর নিজ দেহের টি-সেল বের করে নেয়া হয়। তারপর জেনেটিক পদ্ধতিতে তাতে রূপান্তর ঘটানো হয়। ফলে রূপান্তরিত টি-সেল রোগী শরীরের ক্যান্সার কোষকে শনাক্ত করতে এবং তাদের ধ্বংস করতে পারবে। এরপর গবেষণাগারে কোটি কোটি রূপান্তরিত টি-সেল তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে সদ্য ক্যান্সার বিরোধী ক্ষমতা অর্জনকারী এসব টি-সেল সংশ্লিষ্ট রোগীর শরীরে ঢুকিয় দেয়া হয়।

 

পরীক্ষায় দেখা গেছে, এতে মারাত্মক অসুস্থ রোগীদের ৯৪ ভাগের শরীর থেকে ক্যান্সার পুরোপুরি সেরে গেছে। আর একবার এ সব টি-সেল শরীরে ঢুকিয়ে দিলে তা ১৪ বছর পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে । অ্যামেরিকান এসোসিয়েশন ফর দ্যা অ্যাডভান্সমেন্ট অফ সায়েন্সের সম্মেলনে সম্প্রতি এ কথা জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, একবার ঢুকিয়ে দেয়া হলে এ সব রূপান্তরিত কোষ শরীরে বছরের পর বছর ধরে টহল দেয়। ক্যান্সার আবার ফিরে আসার চেষ্টা করলে তাদের নিকেশ করে ফেলে যোদ্ধা এ সব কোষ।

 

ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে এ পদ্ধতিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।#

 

রেডিও তেহরান/সমর/১৬

 

মন্তব্য লিখুন


Security code
রিফ্রেস দিন