এই ওয়েবসাইটে আর আপডেট হবে না। আমাদের নতুন সাইট Parstoday Bangla
সমাজ-সংস্কৃতি

২৯ সেপ্টেম্বর (রেডিও তেহরান): নুন খাওয়া কমালে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। বিশ্ব হার্ট দিবসের আগে এ কথা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ‘হু।’ আর এ লক্ষ্যে সদস্য দেশগুলোর নুন খাওয়ার পরিমাণ ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এক বিবৃতিতে সদস্য দেশগুলোকে সোডিয়াম হ্রাসের সুপারিশমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নুনের ব্যবহার কমিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছে ‘হু।’  ‘হু’ বলেছে, সংক্রমণজনিত নয় হৃদরোগ ও স্ট্রোকের  মতো এমন রোগই বর্তমান বিশ্বে অকাল মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে।

এ জাতীয় রোগের প্রকোপ কমিয়ে আনার জন্য  নয় দফা সুপারিশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সব সুপারিশ বাস্তবায়নে বিশ্বের সরকারগুলোকে তৎপর হতে বলেছে ‘হু।’  এ সুপারিশের অন্যতম হলো, ২০২৫ সালের মধ্যে খাদ্যে নুনের ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনা।

এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা হলে হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং এ সংক্রান্ত স্বাস্থ্য সংকটে মারা যাওয়ার হাত থেকে লাখ লাখ বিশ্ববাসীকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। খাদ্যে নুনের অতি ব্যবহার হাইপারটেশন বা উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের আশংকা বহুগুণে বাড়ায়।

গড়ে এক ব্যক্তি দৈনিক ১০ গ্রাম নুন ব্যবহার করে উল্লেখ করে এ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘হু’-এর নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে এটি দ্বিগুণেরও বেশি। সঠিক ভাবে বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত শক্তির প্রয়োজনের বিষয়টি স্মরণে রেখে দুই থেকে ১৫ বছরের অনূর্ধ্ব শিশুদের এর চেয়েও কম নুন ব্যবহারের কথা বলেছে ‘হু।’#

রেডিও তেহরান/সমর/২৯

স্তন ক্যান্সার ও তার চিকিৎসা নিয়ে তিন পর্বে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মহাখালিতে অবস্থিত জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউটের সার্জিক্যাল অনকোলজির সহকারী রেজিস্টার ডা. খাদিজা রহমান সোনিয়া।

 

এ তিন পর্বের আলোচনা এখানে দেয়া হলো।

৭ সেপ্টেম্বর (রেডিও তেহরান): নিয়মিত নাস্তা খায় না যে সব শিশু তাদের টাইপ-টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা বেশি বলে  গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন।

 

এর আগের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাতরাশ বাদ দেয়ার সঙ্গে পূর্ণ বয়সী মানুষের মুটিয়ে যাওয়ার এবং টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এবারে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেইন্ট জর্জের চিকিৎসা-গবেষক অ্যাঞ্জেল ডোনিন ও তার সহ-গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন, একই কথা শিশু-কিশোরদের বেলায় প্রযোজ্য।

এ গবেষণার জন্য যুক্তরাজ্যের ৯ থেকে ১০ বছর বয়সী চার হাজার শিশুর ওপর সমীক্ষা চালান হয়েছে। এমন কি গবেষকরা শিশুদের সঙ্গে মুখোমুখি আলাপও করেছেন। আর এর মাধ্যমে শিশুটি আগের দিনে কি কি খাবার গ্রহণ করেছে তা বের করে আনার চেষ্টা করেছেন গবেষকরা।

গবেষক দলটি দেখতে পেয়েছেন, যে সব শিশু নিয়মিত নাস্তা খায় না নির্দিষ্ট সময় উপবাসের পর তাদের দেহে ইনসুলিনের পরিমাণ ২৬ শতাংশ বেড়ে গেছে। যারা নিয়মিত প্রাতরাশ খায় তাদের সঙ্গে এ সব শিশুর রক্তের নমুনা তুলনা করা হয়েছে।

আর্থ-সামাজিক এবং দৈহিক তৎপরতার বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করার পরও এ ফলাফল উল্লেখযোগ্য বলে দেখতে পেয়েছেন গবেষক দলটি।

এর আগের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাতরাশ ভাল ভাবে না খেয়ে খেলে লেখাপড়ায় মন দেয়া বা ক্লাসে ভাল করা শিশুর জন্য কষ্টকর হতে পারে। কিন্তু এবারের গবেষণায় দেখা যাচ্ছে ভাল ভাবে নাস্তা না খেলে তা শিশুর ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি ডেকে আনতে পারে।#

রেডিও তেহরান/সমর/৭

৩১ জুলাই (রেডিও তেহরান): ভারতে মুরগির খামারে নির্বিচার ব্যবহারের ফলে দেশটিতে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতিরোধী রোগ-জীবাণু আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। চিকিৎসাযোগ্য অনেক অসুখও দিনে দিনে রোগীর জন্য হুমকি হয়ে উঠতে শুরু করেছে।

 

ভারতের সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভাইরনমেন্ট বা সিএসই’র নতুন এক সমীক্ষায় উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে।

মুরগির দেহে অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি বের করার জন্য ভারতে যে সব গবেষণা সমীক্ষা চালানো হয়েছে তার মধ্যে সিএসই’র এ সমীক্ষাটি বৃহত্তম। সিএসএ এই সমীক্ষা চালানোর সময়ে মুরগির যে সব নমুনা সংগ্রহ করেছে তার ৪০ ভাগের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

 

ভারতে মুরগির খাবারে অ্যান্টিবায়োটিক দেয়ার বিরুদ্ধে কোনো আইন নেই। ফলে রোগ-ব্যাধি না থাকা সত্ত্বেও মুরগিকে খাবারের সঙ্গে নিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয়। মুরগিকে মোটা-তাজা করার জন্য এ কাজটি করা হয়। মুরগির দেহ থেকে এ সব অ্যান্টিবায়োটিক মানুষের শরীরেও অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঢুকে পড়ে। আর এর মধ্য দিয়ে অ্যান্টিবায়েটিক প্রতিহতকারী ক্ষমতা অর্জন করছে রোগ-জীবাণু। ভারতে রক্ত দূষিতকারী, নিউমোনিয়া এবং যক্ষ্মা সৃষ্টিকারী রোগ-জীবাণু আশঙ্কাজনকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিহত করার ক্ষমতা অর্জন করছে।# 

 

 রেডিও তেহরান/সমর/এআর/৩১

২৩ জুলাই (রেডিও তেহরান): ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সাবেক সংসদ স্পিকার হাদ্দাদ আদেলের ভাষণের মধ্যদিয়ে মঙ্গলবার তেহরানে শেষ হয়েছে ২২তম আন্তর্জাতিক কুরআন মেলা।

 

গত ২৩ জুন তেহরানের ডিফেন্স গার্ডেন মিউজিয়ামের পারস্য উপসাগর অডিটোরিয়ামে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলার উদ্বোধন করেন ইরানের সংস্কৃতি ও ইসলামি দিক-নির্দেশনা মন্ত্রী আলী জান্নাতি এবং তেহরানের মেয়র মুহাম্মদ বাকের কালিবফ।

 

এবারের মেলার শ্লোগান ছিলো: জাতীয় ঐক্য ও ব্যবস্থাপনার ভিত্তিতে কুরআনি সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসার।

 

২২তম আন্তর্জাতিক কুরআন মেলা চলে ২৪ই রমজান পর্যন্ত। এ মেলা ১৫ই রমজান পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও দর্শকদের বিশেষ অনুরোধে এর সময় আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়। মেলা কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, কুরআন মেলা পরিদর্শনকারীদের সেবায় মেলার কাছাকাছি দু’টি মেট্রো স্টেশন রাত ১টা পর্যন্ত খোলা রাখা হয়। সাধারণভাবে এসব স্টেশন রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকে। ২২তম আন্তর্জাতিক কুরআন মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে ১৪জনকে পুরস্কার দেয়া হয়।#  

 

রেডিও তেহরান/এমআই/২৩