১৯৬৬ সালের এ দিনে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন লুন টেন নামের প্রথম চন্দ্র প্রদক্ষিণকারী একটি মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করে। পৃথিবী প্রদক্ষিণকারী একটি যান থেকে লুনা টেনকে উৎক্ষেপণ করা হয়। একই বছরের ৩রা এপ্রিল লুনা টেন চন্দ্রের কক্ষপথে প্রবেশ করে। এর তিন ঘন্টা পর প্রথমবারের মতো চন্দ্র প্রদক্ষিণ সমাপ্ত করে। ব্যাটারির শক্তিতে চালিত যানটি ৪৬০বার চন্দ্র পরিক্রমা করেছে এবং বেতার মারফত ২১৯টি ডাটা প্রেরণ করেছে। ১৯৬৬ সালের ৩০শে মে লুনা টেনকে বর্জন করা হয়।
১৯৫৪ সালের এ দিনে জেনারেল গিয়াপের নেতৃত্বে ভিয়েত মীন নামে পরিচিত ভিয়েতনামের বাহিনী দিয়েন বিয়েন ফুতে ফরাসি বাহিনীকে অবরোধের সূচনা করে।
তারা সকল সড়ক পথ বন্ধ করে দেয়। কেবল মাত্র বিমান যোগ ফরাসি বাহিনী তাদের রসদ সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখে। পাহড়ি এ এলাকায় অন্য কোনোভাবে যাতায়াতের ব্যবস্থা না থাকায় ফরাসি বাহিনী মনে করেছিলো তারা ভিয়েত মীন বাহিনীর অবরোধের মোকাবেলা করতে পারবে। কিন্তু জেনারেল গিয়াপ ভিয়েত মীন বাহিনীর রসদ এবং ভারী কামান ও গোলাবারুদ সরবরাহের জন্য সাইকেল সহ অন্যান্য পন্থা অবলম্বন করেন। ফলে তার বাহিনী যখন হামলা করে ফরাসি বাহিনী হত বিহ্বল হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র এ সময় ফরাসি বাহিনীর সাহায্যে এগিয়ে আসে এবং প্রচন্ড বোমা বর্ষণ করে। কিন্তু ভিয়েতনাম লাওস সীমান্তের কাছে অবস্থিত পাহাড়ি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘাটি ১৯৫৪ সালে ৭ই মে ভিয়েত মীন বাহিনী দখল করে নেয়।
১৯১৪ সালের এ দিনে মেক্সিকোর কূটনীতিবিদ এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী লেখক অক্টোভিও পাজ জন্ম গ্রহণ করেন। তার জন্ম হয়েছিলো মেক্সিকো সিটিতে। পিতামহের বিশাল গ্রন্থাগার থাকায় খুব অল্প বয়সেই তিনি সাহিত্যের বিশাল জগতের সাথে পরিচিত হন। পাজ খুব অল্প বয়সেই লেখা শুরু করেন। ১৯৩৭ সালে ফ্যাসিবাদ বিরোধী লেখকদের দ্বিতীয় কংগ্রেসে যোগ দেয়ার জন্য তিনি স্পেন সফরে যান। ১৯৩৮ সালে স্বদেশে ফিরে তিনি ওয়ার্কশপ নামে একটি সাময়িকী প্রকাশের সাথে জড়িত হয়ে পড়েন। এই সাময়িকী মেক্সিকোর নতুন প্রজন্মের লেখকবৃন্দের আগমনী বার্তা শোনায়। একই সাথে নতুন প্রজন্মের সাহিত্যের কথাও শোনায়।
১৮৮৯ সালের এ দিনে প্যারিসের আইফেল টাওয়ার জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। ফরাসি বিপ্লবের স্মরণে একটি টাওয়ার নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেয়ার পর প্রায় একশর বেশি নকশা জমা পড়ে। তার মধ্য থেকে গাস্টাভ ইফেলের নকশা মনোনয়ন করা হয়। ৯৮৪ ফুট অর্থাৎ প্রায় তিনশ মিটার উচু এই টাওয়ার তৎকালে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার ছিলো। ১৮৮৭ সালের ২৬ জানুয়ারী টাওয়ার নির্মাণের কাজ শুরু হয় এবং ১৮৮৯ সালের ৩১শে মার্চ নির্মাণ কাজ শেষ হয়। তিনশ কর্মি এই টাওয়ার নির্মাণে কাজ করেছে।
১৯৯১ সালের এ দিনে ওয়ারশ চুক্তির বিলুপ্ত বলে ঘোষণা করা হয়। ১৯৫৫ সালে ওয়ারশ চুক্তি বাস্তবায়ন করা হয় এবং ৩৬ বছর পর তা অবলুপ্ত হয়। সোভিয়েত রাশিয়া তার সাবেক মিত্রদের উপর নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে তা স্পষ্ট হয়ে উঠে এর মাধ্যমে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অরগানাইজেশন বা ন্যাটোর মোকাবেলা করার জন্য সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে ওয়ারশ চুক্তি গঠন করা হয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথমে ওয়ারশ প্যাক্ট বা চুক্তিকে প্রতিরক্ষামূলক চুক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছিলো। পরে দেখা গেল পূর্ব ইউরোপে সমাজতন্ত্রীদের আধিপত্য বজায় রাখাই এ জোটের উদ্দেশ্য। সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৬ সালে হাংগেরী এবং ১৯৬৮ সালে চেকোশ্লোভেকিয়ায় কম্যুনিজম বিরোধী তৎপরতা বন্ধ করার জন্য এ চুক্তিকে ব্যবহার করেছিলো। #
২২ মে (রেডিও তেহরান): ঘূর্ণিঝড় মহাসেনে ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে সমন্বিত ভূমিকার যে কথা বলা হচ্ছে তার সাথে …
সম্প্রতি (২৯ এপ্রিল, ২০১৩) তেহরানে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'ওলামা …
বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)’র সাহাবি শহীদ হুজর ইবনে আদি আল …
২১ মে (রেডিও তেহরান): সিরিয়ার আল-কায়েদা সমর্থিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আন-নুসরাহ …

