১৯৪৬ সালের এ দিনে ফরাসী সেনাদের সর্বশেষ দলটি লেবানন ত্যাগ করে । প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর যখন ১৯১৮ সালে ওসমানীয় সম্রাজ্য ভেঙ্গে খন্ড খন্ড হয়ে যায় তখন ফ্রান্স লেবানন এবং সিরিয়া জবর দখল করে । তারপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান ফ্রান্স দখল করে নেয় ফলে লেবাননে যে ফরাসী শাসন চলছিল তখন তা জার্মানের নির্দেশে পরিচালিত হতে থাকে । কিন্তু ১৯৪১ সালে ফরাসী এবং ব্রিটিশ সৈন্যরা আবার লেবানন দখল করে নেয় । লেবাননের জনগণ তখন স্বাধীনতার জন্যে আন্দোলন করে এবং ফরাসী ও ইংরেজদের উপর চাপ সৃষ্টি করে । এরপর লেবানন ফরাসীদের হাত থেকে মুক্ত হয় এবং ১৯৪৩ সালে সেখানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর লেবাননে নতুন সংবিধান প্রণীত হয় যা ছিল ফরাসী আধিপত্যবাদ বিরোধী। ফরাসীর নেতৃবৃন্দ এতে ক্ষুব্ধ হয়ে লেবাননের প্রেসিডেন্টসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে আটক করে। প্রেসিডেন্টসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে আটকের বিরুদ্ধে লেবাননের জনগণ ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ফলে তারা প্রেসিডেন্টসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে মুক্ত করে দেয় এবং শাসনভার তাদের হাতে ন্যাস্ত করে । এর পর ১৯৪৫ সালে লেবানন স্বাধীনতা লাভ করে । একই বছর ব্রিটিশ এবং ফরাসী সেনাদের লেবানন ত্যাগ করার বিষয়ে তাদের সাথে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং এপ্রিলের মধ্যে তা বাস্তবায়িত হয় ।
১৯৭৩ সালের এ দিনে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইহুদীবাদী ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হাতে তিনজন সংগ্রামী ফিলিস্তিনী শাহাদাত বরণ করেন। নিহত ফিলিস্তিনীরা হচ্ছে- কামাল নাসের, কামাল আদুয়ান এবং মোহাম্মাদ ইউসুফ । মোসাদের একদল কমান্ডো ভূ-মধ্যসাগরের মধ্যে দিয়ে বৈরুতে প্রবেশ করে এবং ঐ ফিলিস্তিনী নেতাদের হত্যা করে । এই ঘটনার দশ বছর পর ১৯৮৩ সালের ১০ ই এপ্রিল পর্তুগালে ফিলিস্তিন মুক্তি সংগঠন বা পিএলও নেতা ইয়াসির আরাফাতের রাজনৈতিক উপদেষ্টা এসাম তারতাবিকে মোসাদ হত্যা করে । দখলদার ইসরাইল যেভাবে ফিলিস্তিনী নেতৃবৃন্দসহ সেখানকার বেসামরিক জনগণকে হত্যা করছে তা থেকে বোঝা যায় তারা এভাবে যে কোনো দেশের মধ্যে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে সেই দেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করে না ।
ফার্সী ১৩৬৭ সালের এ দিনে ইরাক ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর মারিভানসহ আরেকটি গ্রামে বিমান থেকে রাসায়নিক বোমা নিক্ষেপ করে । ইরাকের সাবেক স্বৈরশাসক সাদ্দামের সময়ে বিমান থেকে নিক্ষেপিত ঐ রাসায়নিক বোমার আঘাতে বহু সংখ্যক বেসামরিক মানুষ শাহাদাত বরণ করেন । তাছাড়া আহত হন অনেকে । একই দিনে ইরাকী সেনারা ইরানের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলীয় ফাও এলাকায় রাসায়নিক বোমা হামলা চালালে বহু মানুষ হতাহত হন । ফার্সী ১৩৬৭ সালে ইরানের উপর সাবেক ইরাক সরকারের সর্বশেষ তীব্র রাসায়নিক বোমা হামলায় হাজার হাজার সামরিক বেসামরিক মানুষ শহীদ হন।ইরানের উপর ইরাকের বর্বরোচিত রাসায়নিক বোমা হামলার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সমাজসহ পশ্চিমা বিশ্ব কেবল নিরবই থাকেনি বরং তারা ইরাককে এসব রাসায়নিক বোমা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছিল। #
Â
২৩ মে (রেডিও তেহরান): বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সময় যে পরিমাণ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে স্বাধীনতার চল্লিশ …
সম্প্রতি (২৯ এপ্রিল, ২০১৩) তেহরানে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'ওলামা …
বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)’র সাহাবি শহীদ হুজর ইবনে আদি আল …
২১ মে (রেডিও তেহরান): সিরিয়ার আল-কায়েদা সমর্থিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আন-নুসরাহ …

