১৯৬৯ সালের এ দিনে সুপারসোনিক যাত্রীবাহী বিমান কনকর্ড প্রথম উড্ডয়ন করে। ফ্রান্স এবং বৃটেন যৌথ ভাবে এ বিমান নির্মাণ করেছিলো। তবে কনকর্ড যাত্রীবাহী বিমান হিসেবে প্রথম যাত্রা শুরু করে ১৯৭৬ সালে। এরপর একটানা ২৭ বছর কনকর্ড বিমান তার যাত্রীসেবা অব্যাহত রেখেছিলো। লন্ডনের হিথরো বিমান বন্দর এবং ফ্রান্সের প্যারিসের চালর্স দ্যাগল এয়ারপোর্ট থেকে নিয়মিত এ বিমান নিউ ইর্য়কের জেএফকে এবং ওয়াশিংটনের ডালাস বিমান বন্দরে যাতায়াত করত। সাধারণ বিমানের যে সময় লাগে তার অর্ধেকেরও কম সময়ে কডকর্ড এ পথ পাড়ি দিত। তবে শেষ পর্যন্ত বাণিজ্যিক ভাবে কনকর্ডের যাত্রা সফল প্রমাণিত হয় নি। ২০০৩ সালের ২৪ অক্টোবর কনকর্ড শেষবার যাত্রা করে। তবে এরপর একই বছরের ২৬শে নভেম্বর কনকর্ড শেষবারের মতো আকাশে উড়েছিলো।
১৯৬৮ সালের এ দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষুদ্র দেশ মরিশাস ইংরেজদের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। ক্ষুদ্র এই দ্বীপ দেশে হল্যান্ডবাসীরা ১৭ শতকে আগমন করেছিলো। ১৮ শতকে এখানে এসেছিলো ফ্রান্সবাসীরা। ১৮১৪ সালে ইংরেজরা মরিশাস দখল করে নেয় এবং সেখানে তাদের উপনিবেশ স্থাপন করে। অব্যাহত স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং জাতিসংঘের হস্তক্ষেপের ফলে ১৯৬৮ সালে ইংরেজরা মরিশাসকে স্বাধীনতা প্রদান করতে বাধ্য হয়।
৬৪ হিজরীর ১৪ই ররিউল আউয়াল অর্থাৎ আজকের এ দিনে উমাইয়া শাসক অত্যাচারী ইয়াজিদ পরলোকগমন করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৩৭ বছর। তার তিন বছর নয় মাসের শাসনামলে কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটিয়েছে। শাহাদত বরণ করেছেন শান্তির নবী হযরত মুহাম্মদ (সা)এর দৌহিত্র , ইমাম হোসেন(আ) সহ আহলে বাইতের শ্রেষ্ঠ কয়েকজন সন্তান সহ তাদের একান্ত অনুগামী কয়েকজন অসীম সাহসী ব্যক্তিত্ব। শিশু আসগর (আ)ও ইতিহাসের এই নিমর্ম হত্যাযজ্ঞ থেকে রেহাই পান নি। মুয়াবিয়া পুত্র ইয়াজিদের শাসনামলে অত্যাচার অবিচারের যে কংলকগাথা রচিত হয়েছে ইতিহাসে তার নজীর খুঁজে বের করা সত্যিই দুস্কর।
১৮৯৪ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বোতলজাত কোকাকোলা বিক্রি শুরু হয়। ১৮৮৬ সালের ৪ মে আটলান্ট অঙ্গরাজ্যের ফার্মাসিস্ট ডা. জন পেমবার্টন প্রথম এ পানীয় তৈরি করেছিলেন। তবে প্রথমে এতে কার্বন-ডাই-অক্সসাইডের মিশ্রণ ঘটনো হয় নি। আরো পরে এই পানীয়তে এমন মিশ্রণ দেয়া হয়। পেমবার্টনের মৃত্যুর পর আসা ক্যান্ডেলার কোকাকোলা কোম্পানীর মালিক হন। ১৮৯৩ সালের ৩১ জানুয়ারী কোকাকোলার ফর্মূলা প্যাটেন্ট করা হয়। ১৮৯৯ সালে প্রথম ব্যাপক হারে কোকোকলার উৎপাদন শুরু হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা কোক সহ এ জাতীয় সকল পানীয়কে মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক বলে অভিহিত করেছেন। এ কারণে ইরানের কোনো সরকারী খাবার ঘরে এ জাতীয় পানীয় বিক্রি করা হয় না।
১৮ জুন (রেডিও তেহরান) : টিকফা চুক্তিসহ সকল ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে বর্তমান সরকার সবকিছু …
পাশ্চাত্যের মোকাবিলায় বিশ্বের মুসলমানদের মধ্যে আবারো ঐক্যের ডাক …
ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. মাহমুদ আহমাদিনেজাদ প্রচলিত অন্যায্য বিশ্বব্যবস্থার সমালোচনা করে …
১৭ জুন (রেডিও তেহরান): সিরিয়ায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের …

