এই ওয়েবসাইটে আর আপডেট হবে না। আমাদের নতুন সাইট Parstoday Bangla
শুক্রবার, 15 জানুয়ারী 2016 17:58

‘রাম মন্দির নির্মাণের নামে ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে খেলা শুরু হয়েছে’

‘রাম মন্দির নির্মাণের নামে ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে খেলা শুরু হয়েছে’

১৫ জানুয়ারি (রেডিও তেহরান): বহুজন সমাজবাদী পার্টি (বিএসপি) প্রধান এবং উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

 

বিজেপি’র বিরুদ্ধে ভোটের জন্য রাম মন্দিরের নামে মানুষের ধর্মীয় অনুভুতি নিয়ে খেলা করার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এই কৌশলে তাদের কোনো লাভ হবে না।

 

মায়াবতী আজ (শুক্রবার) তার ৬০তম জন্মদিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় জানান, ‘কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার কর্তৃক সাম্প্রদায়িক অংশকে নিয়ন্ত্রণ মুক্ত করে দেয়ায় দেশে বিশৃঙ্খল এবং আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বুদ্ধিজবীদের একাংশও সঙ্কুচিত হয়ে গেছেন।’

 

অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ নিয়ে সাম্প্রতিক তৎপরতা প্রসঙ্গে মায়াবতী বলেন, ‘উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন সামনে আসতে দেখে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও আরএসএস এবং তাদের সহযোগী সংগঠন রাম মন্দিরের নামে ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে খেলা করা শুরু করেছে।’

 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করে মায়াবতী বলেন, ‘নিজের নির্বাচনি কেন্দ্র বারানসী ব্যতীত সারা রাজ্যকে উপেক্ষা করা প্রধানমন্ত্রী মোদির এখন নির্বাচনের মুখে রাজ্যের উন্নয়নের কথা মনে পড়েছে।’

মায়াবতী বলেন, ‘বিজেপি ও মোদি দিল্লি এবং বিহারের মতো উত্তর প্রদেশেও নির্বাচনের মুখে ‘নাটক’ করা শুরু করেছেন। কিন্তু রাজ্যের মানুষ তাদের ফাঁদে পা দেবে না। উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপি শোচনীয়ভাবে পরাজিত হবে।’

 

মায়াবতী প্রধানমন্ত্রী মোদি কথিত ‘আচ্ছে দিন’ আসা নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন, ‘গত লোকসভা নির্বাচনের সময় মানুষকে দেখানো মোদির স্বপ্ন স্রেফ স্বপ্নই থেকে গেছে। ‘আচ্ছে দিন’ (সুদিন) আসা তো দূরের কথা, আগের চেয়ে আরো খারাপ দিন এসে গেছে।’

 

দলিত অনগ্রসর শ্রেণির নেত্রী মায়াবতী আজ বলেন, ‘মনুবাদী মানসিকতা’ সম্পন্ন মানুষজন কোনো দলিত মেয়েকে কোনো বড় পদে দেখতে চায় না। এজন্য ওরা ‘দলিত নয়, দৌলত কি বেটি’ বলে অপপ্রচার করছে। কিন্তু এতে কোনো লাভ হবে না।’

 

মায়াবতী আজ ‘আমার সংগ্রামী জীবন এবং বিএসপি আন্দোলনের সফরনামা-২’-এর হিন্দি এবং ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশ করেন। #

 

রেডিও তেহরান/এমএএইচ/এআর/১৫

 

 

 

 

মন্তব্য লিখুন


Security code
রিফ্রেস দিন