এই ওয়েবসাইটে আর আপডেট হবে না। আমাদের নতুন সাইট Parstoday Bangla
বুধবার, 04 মে 2016 23:03

মোদি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েননি, তার স্লাতক ডিগ্রি ভুয়া: আপ

মোদি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েননি, তার স্লাতক ডিগ্রি ভুয়া: আপ

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেছে দিল্লিতে ক্ষমতাসীন আম আদমি পার্টি (আপ)। দলটির পক্ষ থেকে আজ (বুধবার) দাবি করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর স্নাতক ডিগ্রি ভুয়া এবং তিনি কখনো দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েননি।

 

‘আপ’ নেতা আশিস খৈতান দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বৈঠক করার পর আজ বলেন, ‘মোদিজির শিক্ষাগত যোগ্যতা ভুয়া। সংবাদপত্রে দেখানো ডিগ্রি জাল। মোদিজি কখনো দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হননি এবং তিনি কখনো এখানে পড়েননি। আর যখন ওনার বিএ ডিগ্রিই জাল তখন তিনি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ (স্নাতকোত্তর) কীভাবে করতে পারেন?’

 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে জানতে চেয়ে তথ্য জানার অধিকার আইনে জাতীয় তথ্য কমিশনে চিঠি দেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তার ভিত্তিতে মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে তথ্য দিতে কমিশন নির্দেশ দেয় দিল্লি ও গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়কে। তথ্য সূত্রে প্রকাশ, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোদি বিএ পাস করেন এবং গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ করেন। গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে প্রকাশ, এমএ-তে প্রথম শ্রেণিতে পাস করেছিলেন মোদি।

 

গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন প্রধানমন্ত্রীর বিএ ডিগ্রি সম্পর্কিত তথ্য দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে জানানোর নির্দেশ দেয়। আজ ‘আপ’ নেতা আশিস খৈতান দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রায় ঘণ্টা খানেক ধরে বৈঠক শেষে বাইরে বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের নির্দেশ সত্ত্বেও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় রেকর্ড দেখাতে অস্বীকার করে এবং বলে আপনি এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে জেনে নিন।

 

এর আগে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং দুই রকম জন্ম তারিখ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাদের দাবি, নরেন্দ্র মোদি বিএ ডিগ্রি কোথা থেকে পেয়েছেন? এমএ করেছেন মানেই বিএ করেছেন, তার প্রমাণ কোথায়? বিএ করার সময় দশ জন সহপাঠির নাম বলুন প্রধানমন্ত্রী। তারা বিএ’র মার্কশিট দেখানোরও দাবি করেছে।

 

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভি অবশ্য বলেছেন, ‘হেলিকপ্টার দুর্নীতিতে সোনিয়া গান্ধীর দিকে অভিযোগের আঙুল উঠতেই এখন দিশাহারা হয়ে পড়েছে কংগ্রেস। তাই আবোলতাবোল বিষয়ে নজর কংগ্রেসের।#

 

এমএএইচ/এআর/৪

 

 

 

 

মন্তব্য লিখুন


Security code
রিফ্রেস দিন