এই ওয়েবসাইটে আর আপডেট হবে না। আমাদের নতুন সাইট Parstoday Bangla
মঙ্গলবার, 02 জুন 2009 21:04

‘ইমাম খোমেনি (রহঃ) হলেন বিশ্বজনীন ব্যক্তিত্ব’

লন্ডনের সেন্টার ফর স্টাডি অব টেরোরিজম কেন্দ্রের পরিচালক বলেছেন, ইমান খোমেনি (রহঃ) হলেন বিশ্বজনীন ব্যক্তিত্ব এবং ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা। রাজনীতির ক্ষেত্রে ইমামের বিস্ময়কর অন্তর্দৃষ্টি ছিলো। লন্ডনের এই কেন্দ্রের পরিচালক কামাল হালওয়ায়ী ইমাম খোমেনি (রহঃ)এর ২০ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ইরনাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ইমাম খোমেনি (রহঃ ) এর সবচেয়ে বর্ণাঢ্য গুণগুলো হলো, তার একাগ্রতা, সাদাসিধে জীবন যাপন, বিনম্রতা এবং আল্লাহর প্রতি গভীর বিশ্বাস। তিনি বলেন, শেয়াল এবং নেকড়ে পরিপূর্ণ এ বিশ্বে ইমাম খোমেনি যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তা আমাকে সবচেয়ে মুগ্ধ করেছে। এ ছাড়া সামাজিক এবং রাজনৈতিক ব্যাপারে তার ছিলো গভীর অন্তর্দৃষ্টি, তিনি ভবিষ্যৎ প্রত্যক্ষ করেছেন। ইমাম খোমেনির চিন্তা ও কর্ম সমগ্র বিশ্ব জুড়ে প্রভাব বিস্তার করেছে উল্লেখ করে করে জনাব কামাল হালওয়ায়ী বলেন, ইমাম খোমেনি কেবল মুসলিম দুনিয়া নয় বরং বিশ্বে পরিবর্তন এনেছেন। জনগণ মনে করেন তিনি ইরানের শাহকে উৎখাত করেছেন অথচ প্রকৃতপক্ষে ইমাম খোমেনি (রহঃ) একনায়কতন্ত্র ধ্বংস করেছেন এবং স্বৈরশাসনের মূল উপড়ে ফেলা যে সম্ভব তা দেখিয়ে দিয়েছেন। অধূনালুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের কাছে লিখিত ইমামের পত্রের উল্লেখ করে কামাল হালওয়ায়ী বলেন, ঐ পত্রে তিনি বলেছিলেন, সমাজতন্ত্রকে রাজনৈতিক যাদুঘরে রেখে দেয়ার সময় এসেছে। তার এই কথার কয়েক মাসের মধ্যেই সমাজতন্ত্রের পতন ঘটে। কামাল হালওয়ায়ী এই সাক্ষাৎকারে ইমাম খোমেনি (রহঃ)কে মূল্যবোধের মহাসাগর হিসেবেও উল্লেখ করেন। একই সাথে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে ইমাম সবচেয়ে বড় শয়তান হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলো। আর এর মাধ্যমে তিনি সাম্রাজ্যবাদ ও দখলদারদের বিরুদ্ধে মুসলিম তরুণদের প্রতিরোধের দরজা খুলে দেন। ইমাম না থাকলে এই অর্জন কখনোই সম্ভবপর হতো না। আল কুদস মুক্তির জন্য তিনি ফিলিস্তিনিদের আন্দোলনকে পুনরায় চাঙ্গা করে তুলেছেন।#

মন্তব্য লিখুন


Security code
রিফ্রেস দিন