এই ওয়েবসাইটে আর আপডেট হবে না। আমাদের নতুন সাইট Parstoday Bangla

১৮ ডিসেম্বর (রেডিও তেহরান): পশ্চিমা যুবসমাজের প্রতি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দ্বিতীয় ঐতিহাসিক চিঠি সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দেখাতে গিয়ে ইরাকি রাজনৈতিক বিশ্লেষক আহমাদ আল বাহরানি বলেছেন, পাশ্চাত্য ইসলাম সম্পর্কে আতঙ্ক ছড়িয়ে এই মহান ধর্মের ওপর আঘাত হানার যেসব ষড়যন্ত্র করেছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই চিঠি তা বানচাল করে দিয়েছে। এ চিঠি পশ্চিমা চিন্তাবিদ ও সুশীল সমাজের মধ্যেও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

 

আহমাদ আল বাহরানি বলেছেন, কোনো কোনো ইসলামী গণমাধ্যম পশ্চিমা সমাজে সঠিক ইসলামের পরিচিতি তুলে ধরার ক্ষেত্রে দুর্বল ভূমিকা রাখছে। আর এ অবস্থায় পশ্চিমা যুব সমাজের কাছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দ্বিতীয় ঐতিহাসিক চিঠি পাশ্চাত্যে  প্রকৃত ইসলামকে ভালোভাবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে খুব সহায়তা করবে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

 

মার্কিন শিল্পী ও রাজনৈতিক কর্মী ক্রিস এল্ডরিজ এই চিঠি পড়ে বলেছেন, সুন্দর ও জোরালো এই চিঠিতে সব দরকারি আর বাস্তব কথা উঠে এসেছে। এতে রয়েছে হত্যাযজ্ঞ বন্ধের নানা অভিনব যুক্তি যা সবখানেই বলা উচিত। এ চিঠি থেকে বোঝা যায় মানুষ ও শান্তির প্রতি শ্রদ্ধা মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাসের অংশ। 

 

সম্প্রতি ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা পশ্চিমা যুবসমাজকে উদ্দেশ করে তাঁর দ্বিতীয় চিঠি লিখেন যাতে পশ্চিমা গণমাধ্যমের সৃষ্ট ধুম্রজাল থেকে এই যুব সমাজকে দূরে রাখা যায় এবং ইসলামের ন্যায়বিচারকামী ও মুক্তিকামী চিন্তাধারার বার্তা তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া যায়।

 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই চিঠির সম্ভাব্য প্রভাব পাশ্চাত্যকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করেছে। তাই টুইটারে এই চিঠি শেয়ারের উদ্যোগ গ্রহণকারী অনেকেরই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট পশ্চিমা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তা সত্ত্বেও বাংলা, ইংরেজি, আরবী, হিন্দু, উর্দু, ফরাসি, জার্মানিসহ বহু ভাষায় চিঠিটি অনূদিত হয়েছে এবং তা ইরানি গণমাধ্যম থেকে দুই কোটি ৩০ লাখেরও বেশি বার পড়া হয়েছে। এছাড়া, চিঠিটি বিশ্বের বহু প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়া প্রকাশিত হওয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতেও শেয়ার হয়েছে।#

 

রেডিও তেহরান/এআর/১৮

১৭ ডিসেম্বর (রেডিও তেহরান): পশ্চিমা যুবসমাজের প্রতি লেখা ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দ্বিতীয় চিঠি সম্পর্কে লেবাননের বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইব্রাহিম বিরাম বলেছেন, এই চিঠি সত্য ও মিথ্যাকে আলাদা করার মানদণ্ড।

 

তিনি বলেছেন, বিশ্বের যুবসমাজের মধ্যে বিচ্যুতি ও সন্ত্রাসবাদ বিস্তারের প্রেক্ষাপটে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই চিঠি যেন অন্ধকার এই বিশ্বকে আলোকিত করার এক উজ্জ্বল প্রদীপ।

 

পাশ্চাত্যের পুঁজিবাদী সমাজ-ব্যবস্থা পতনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- এ কথা তুলে ধরে ইব্রাহিম বিরাম বলেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই চিঠি পাশ্চাত্যের কাছে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যবস্থার পথ খুলে দিয়েছে। তিনি পশ্চিমা যুব সমাজের কাছে পাঠানো এই চিঠিকে বিশ্বজনীন বলেও মন্তব্য করেছেন।

 

এদিকে, আজারবাইজানের বাকু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রমজান আসলানেভ মনে করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দ্বিতীয় ঐতিহাসিক চিঠি খুবই যৌক্তিক সময়ে লেখা হয়েছে এবং দূরদর্শিতাপূর্ণ এই চিঠি পশ্চিমা যুবসমাজকে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করেছে।

 

অধ্যাপক রমজান আসলানেভ বলেছেন, পাশ্চাত্যে একপেশে বিষাক্ত প্রচারণার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে। আর এইসব সাম্রাজ্যবাদী মিডিয়ার প্রচারণার বিপরীতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বিশ্বের যুব সমাজকে সন্ত্রাসীদের নেপথ্যের নানা রহস্য ও লক্ষ্যগুলো খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

বাকু বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক আরও জানিয়েছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই চিঠি প্রচারের কারণে পাশ্চাত্যে কোনো কোনো ইন্টারনেট ইউজারের পেইজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পাশ্চাত্যে সামাজিক নেটওয়ার্ক ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোসহ নানা গণমাধ্যমে ইসলামী মিডিয়াগুলোর বক্তব্য প্রচার করা হয় না। আর এইসব বক্তব্য শ্বাসরূদ্ধ করে এবং কেবল নিজেদের মতাদর্শ ও চিন্তাধারা প্রচার করে পাশ্চাত্য এক্ষেত্রে একচেটিয়া কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে রেখেছে বলে রমজান আসলানেভ মনে করেন।#

 

রেডিও তেহরান/এআর/১৭

১৭ ডিসেম্বর (রেডিও তেহরান): ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, পরমাণু কর্মসূচি কথিত সামরিক দিকে মোড় নেয়ার সম্ভাবনা বা পিএমডি বন্ধ করার ঘটনা তেহরানের জন্য বড় সফলতার বিষয়। মঙ্গলবার অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থান বা আইএইএ’র বোর্ড অব গভর্নর্সের বৈঠকে এক প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে পিএমডি বন্ধ করা হয়। এর একদিন পর প্রেসিডেন্ট রুহানি এ সফলতার কথা তুলে ধরলেন।

 

জাতির উদ্দেশে ইরানের টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, ১৪ বছর তদন্ত করার পর আইএইএ ইরানের পরমাণু কর্মসূচির যথার্থতা মেনে নিল। তিনি বলেন, ১৪ বছর পর দেশবাসী ও বিশ্বের কাছে পরিষ্কার হলো যে, পরমাণু ইস্যুতে ইরান এতদিন সততার সঙ্গেই কথা বলে এসেছে। তিনি বলেন, “ইরান কখনো অসত্য বলে নি, ইরান কখনো অসত্য বলে না; তেহরান সবসময় তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে চলে।”   

 

প্রেসিডেন্ট রুহানি জোর দিয়ে বলেন, ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে যে চূড়ান্ত সমঝোতা হয়েছে তার প্রতিও সম্মান দেখাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। পিএমডি ইস্যুর অবসান হওয়ার পর এখন চূড়ান্ত সমঝোতা বাস্তবায়নের ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছে। নতুন বছর শুরুর প্রথম দিকেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে বলেও তিনি আশা করেন। এ বিষয়ে অন্য পক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে  প্রেসিডেন্ট রুহানি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইরানও আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে দরকারি কাজগুলো শেষ করবে।#

 

রেডিও তেহরান/এসআই/১৭  

১৬ ডিসেম্বর (রেডিও তেহরান): পশ্চিমা যুবসমাজের উদ্দেশে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দ্বিতীয় ঐতিহাসিক চিঠির ব্যাপারে নানা মহলের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ অব্যাহত রয়েছে।

 

তুরস্কের ইস্তাম্বুলের বিশিষ্ট আলেম ও গবেষক মাহদি অকসু বলেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দ্বিতীয় চিঠি এই মহান নেতার দূরদর্শিতা, বিচক্ষণতা, সময়-সচেতনতা এবং বিশ্বের চলমান রাজনৈতিক বিষয়ে তার পরিপূর্ণ সচেতনতাও তুলে ধরেছে। তিনি এ চিঠিকে ‘পশ্চিমা যুবসমাজের জন্য হুঁশিয়ারি’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এ চিঠিতে ব্যক্ত করা নানা তথ্য ও মত রাজনৈতিক এবং শিক্ষিত মহলের জন্য উজ্জ্বল দিক-নির্দেশনার নানা পথ খুলে দিয়েছে।

 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দ্বিতীয় ঐতিহাসিক চিঠি অত্যন্ত উপযুক্ত সময়ে লেখা হয়েছে এবং তা পর্দার আড়ালে পাকানো শত্রুদের নানা ষড়যন্ত্র পাশ্চাত্যের সবচেয়ে অরক্ষিত শ্রেণী তথা পশ্চিমা যুবসমাজের কাছে ফাঁস করে দিয়েছে বলে মাহদি অকসু মন্তব্য করেন।

 

বর্তমানে সৌদি, কাতার ও তুর্কি সরকারসহ কোনো কোনো মুসলিম সরকার জালিমদেরকে মজলুম বা অসহায় এবং মজলুমদেরকে জালিম হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরছে। সরকারি নানা গণমাধ্যম তাদের নানা প্রতারণামূলক নীতির মত এ বিষয়টিও প্রচার করছে।

 

তুরস্কের এই চিন্তাবিদ আরও বলেছেন, “ইরানের সর্বোচ্চ নেতা পশ্চিমা যুব সমাজের কাছ তার প্রথম চিঠির মত দ্বিতীয় চিঠির মাধ্যমেও শত্রুদের এসব শঠতা ও অশুভ ষড়যন্ত্র পশ্চিমা যুব সমাজের কাছে স্পষ্ট করেছেন। একইভাবে এইসব চিঠিতে মুসলমানদেরকে ইসলামী জাগরণের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং তাদেরকে ভুল বা মিথ্যার পথ ছেড়ে দিয়ে সত্যের পথে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। আর এইসব চিঠি পাশ্চাত্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভবিষ্যতের জন্য সত্যিকার অর্থেই সতর্কবাণী।”

 

তুর্কি এই চিন্তাবিদ আরও বলেছেন, “পশ্চিমা সরকারগুলো বিশ্বের মুসলমানদের মধ্যে ইসলামের প্রচার ও প্রসারকে বন্ধ করতে চায়। আর এ অবস্থায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দ্বিতীয় ঐতিহাসিক চিঠি মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমা সরকারগুলোর কর্তৃত্বকামী নীতির প্রতি বড় ধরনের আঘাত।“

 

এদিকে, বিখ্যাত মার্কিন ম্যাগাজিন ‘ফরেন পলিসি’ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ঐতিহাসিক চিঠির একটি বিশেষ অংশ প্রকাশ করেছে যেখানে তিনি ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা দূর করার জন্য পবিত্র কুরআন ও বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা)’র জীবনী থেকে ইসলামকে জানার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আরেক মার্কিন সাময়িকী নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনও লিখেছে যে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুক্ত মন নিয়ে ইসলাম সম্পর্কে ভাবতে পশ্চিমা যুব সমাজের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন।

 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ঐতিহাসিক চিঠির অংশ বিশেষ তুলে ধরেছে বিখ্যাত সংবাদ মাধ্যম ব্লুমবার্গ ব্রিটেনের বিবিসি ও মার্কিন টাইম ম্যাগাজিন।#

 

রেডিও তেহরান/এমএএইচ/এআর/১৬

 

 

 

 

 

১৩ ডিসেম্বর (রেডিও তেহরান):পশ্চিমা যুব সমাজের উদ্দেশে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দ্বিতীয় ঐতিহাসিক চিঠির ব্যাপারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ অব্যাহত রয়েছে।

 

কানাডার সাবেক অধ্যাপক ডেনিস রেনকোর্ট মনে করেন পশ্চিমা যুব সমাজের উদ্দেশে দেয়া তার দ্বিতীয় খোলা চিঠিতে ইরানের ইসলামী বিপ্লবের বর্তমান প্রধান নেতা বিশ্ব-সন্ত্রাসবাদের গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও ভূ-রাজনৈতিক শেকড়গুলোর বিশ্লেষণ করেছেন।

 

তিনি এ চিঠির প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এই চিঠি আমার বুদ্ধিবৃত্তি ও হৃদয়ে শিহরণ জাগিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি আপনার ব্যাখ্যা অত্যন্ত মৌলিকভাবে সঠিক এবং এ সত্যকে তুলে ধরার জন্য আপনার যোগাযোগে আমি মুগ্ধ হয়েছি। এ চিঠি পশ্চিমাদের হৃদয় ও মনকে জাগিয়ে তুলতে সহায়তা করবে বলে আমি আশা করছি।’


আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর মত নেতার অধিকারী হওয়া ইরানি জাতির জন্য সত্যিকার অর্থেই আল্লাহর অনুগ্রহ বলে কানাডীয় অধ্যাপক ডেনিস মন্তব্য করেছেন। 


পশ্চিমা যুব সমাজের উদ্দেশে দেয়া ইরানের ইসলামী বিপ্লবের বর্তমান প্রধান নেতার দ্বিতীয় খোলা চিঠি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে কানাডীয় অধ্যাপক ডেনিস আরও বলেছেন, ‘কানাডাতে আমাদের রাজনীতিবিদরা হলেন কেবলই দেশীয় বিষয় ও আত্ম-স্বার্থকেন্দ্রীক। তারা মার্কিন অনুগ্রহ ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রতিযোগিতা করেন। তারা দেশীয় গণমাধ্যমে পুরনো চর্বিত চর্বণই উগরে দেন।’


অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ডেনিস রেনকোর্ট এই বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতিগত বৈষম্য বিরাজ সংক্রান্ত এক ছাত্রের অভিযোগকে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

 

মার্কিন শিল্পী ও রাজনৈতিক কর্মী ক্রিস এল্ডরিজ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই চিঠি পড়ে বলেছেন, সুন্দর ও জোরালো এই চিঠিতে সব দরকারি আর বাস্তব কথা উঠে এসেছে। এতে রয়েছে হত্যাযজ্ঞ বন্ধের নানা অভিনব যুক্তি যা সবখানেই বলা উচিত। এ চিঠি থেকে বোঝা যায় মানুষ ও শান্তির প্রতি শ্রদ্ধা মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাসের অংশ। 

 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই চিঠির সম্ভাব্য প্রভাব পাশ্চাত্যকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করেছে। তাই টুইটারে এই চিঠি শেয়ারের উদ্যোগ গ্রহণকারী অনেকেরই একাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট পশ্চিমা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু  বিশ্লেষকরা বলছেন, এর ফলে পশ্চিমা যুব সমাজ আরও বেশি আকৃষ্ট হবে এই চিঠির প্রতি।

 

সম্প্রতি প্যারিসে পশ্চিমা মদদপুষ্ট তাকফিরি-ওয়াহাবি গোষ্ঠী দায়েশ বা আইএসআইএল-এর সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে আবারও ইসলাম-বিরোধী প্রচারণা জোরদার করেছে পাশ্চাত্য।  এ অবস্থায় পশ্চিমা যুব সমাজের উদ্দেশে দ্বিতীয় চিঠিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা লিখেছেন:

 

'প্রিয় তরুণ সমাজ! আমি আশা করি বর্তমানে কিংবা ভবিষ্যতে তোমরা সেই কপট ও দূষিত মানসিকতায় পরিবর্তন আনবে যে মানসিকতার শিল্প হচ্ছে সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য গোপন করা এবং ধোঁকাবাজি আর দুরভিসন্ধিকে রঙীন অলংকারে সাজানো। ....

 

আমি তোমাদের কাছে প্রত্যাশা করব, তোমরা গভীর দৃষ্টি দিয়ে ইসলাম সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা লাভ করার পাশাপাশি অতীত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে মুসলিম বিশ্বের ব্যাপারে একটি সঠিক ও সম্মানজনক পন্থা অবলম্বন করবে। তখন দেখবে, অচিরেই এই ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত ভবনটি তার নির্মাতাদের ওপর বিশ্বাস ও আস্থা সৃষ্টিকারী ছায়া বিস্তার করবে, তাদেরকে শান্তি ও নিরাপত্তা উপহার দেবে এবং বিশ্ব অঙ্গনে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতি আশার আলোর সঞ্চার করবে।' # 

 

রেডিও তেহরান/এএইচ/১৩

 

 

 

 

 

 

 

 

 

১১ ডিসেম্বর (রেডিও তেহরান): ইরানের বিশিষ্ট আলেম হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলেমিন কাজেম সিদ্দিকী পাশ্চাত্যের যুবকদের উদ্দেশ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার চিঠিকে ইসলামের প্রকৃতির দিকে ফিরে আসার আহবান হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি আজ তেহরানের জুমার নামাজের খুতবায় এ কথা বলেছেন।