এই ওয়েবসাইটে আর আপডেট হবে না। আমাদের নতুন সাইট Parstoday Bangla

২৯ নভেম্বর (রেডিও তেহরান): ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর সঙ্গে রাজধানী তেহরানে সাক্ষাৎ করেছেন নৌবাহিনীর কমান্ডাররা। এ সময় তিনি নৌ কমান্ডারদেরকে বলেন, সমুদ্র হচ্ছে শত্রুর বিরুদ্ধে শক্তিশলী লড়াই এবং বন্ধুর সঙ্গে সযোগিতার বড় ক্ষেত্র।”

 

সর্বোচ্চ নেতা কমান্ডারদেরকে বলেন, “মুক্ত জলরাশিতে প্রবেশাধিকার এবং সমুদ্র পথে বিশ্বের চারদিকে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করুন।” এর পাশাপাশি দেশ রক্ষার জন্য সমুদ্র ব্যবহারের সুবিধাগুলো কাজে লাগতে তিনি জনগণ ও কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

 

আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী বলেন, “সমুদ্রে ইরানি জাতির ঐতিহাসিক গৌরব প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং এ দায়িত্ব ইরানের নৌবাহিনীর। নৌবাহিনীকে অবশ্যই দেশের জন্য একটি সুন্দর ও প্রতিশ্রুতিশীল ভবিষ্যত রচনার কাজ করতে হবে।”

 

সর্বোচ্চ নেতা বলেন, “সঠিক চিন্তা এবং ব্যবস্থাপনাসম্পন্ন খোদাভীরু জনশক্তিই ইরানকে মহান ও ঐতিহাসিক অবস্থান করে দিতে পারে। এজন্য কঠোর দৃঢ়তা, অবিচল বিশ্বাস, আল্লাহর ওপর ভরসা এবং ভবিষ্যতের বিষয়ে আশাবাদী হতে হবে।” তিনি আরো বলেন, ইসলামি বিপ্লবের আগে সমুদ্রের গুরুত্ব, বিশালতা ও সংবেদনশীলতাকে উপেক্ষা করা হয়েছে কিন্তু আজকে ইরানের নৌবাহিনী বিরাট উন্নতি করেছে যদিও এ ক্ষেত্রে এখনো অনেক কিছু বাকি রয়েছে।#

 

রেডিও তেহরান/এসআই/২৯

 

 

 

২৫ নভেম্বর (রেডিও তেহরান): ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, সন্ত্রাসীদের কোনো নির্দিষ্ট সীমানা নেই। সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে আন্তর্জাতিক সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। আজ (বুধবার) ইরানের রাজধানী তেহরানে লুক্সেমবার্গের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেন এসেলবোর্নের সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি এ কথা বলেন।  

 

প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেন, আজ এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, সন্ত্রাসবাদ কোনো দেশের জন্যই সুফল বয়ে আনতে পারে না।সন্ত্রাসবাদ বিপদজ্জনক রোগের মতোই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ায় এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য সন্ত্রাসীদেরকে ব্যবহার করা অথবা তাদেরকে নির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক অঞ্চলে সীমাবদ্ধ রাখার চিন্তা সঠিক নয়।

 

প্রেসিডেন্ট রুহানি আরো বলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কিছু পশ্চিমা দেশ আন্তরিক নয়।বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসীরা ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এখনই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে বলেও জোর দেন তিনি। এ সময় এসেলবোর্ন বলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সব দেশ এবং জাতিকে এগিয়ে আসতে হবে।ইরাক ও সিরিয়ায় তৎপর তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএলকে পুরো আন্তর্জাতিক সমাজের জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করেন লুক্সেমবার্গের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসেলবোর্ন।#

 

 রেডিও তেহরান/এমবিএ/২৫

 

২৪ নভেম্বর (রেডিও তেহরান): ইরানের রাজধানী তেহরানে গতকাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলোর ফোরাম বা জিইসিএফ’র তৃতীয় শীর্ষ সম্মেলন। গ্যাস রপ্তানির ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ নীতি বা পরিকল্পনার বিষয়ে আলোচনা করাই ছিল এ সম্মেলনের উদ্দেশ্য। সম্মেলনে অংশ নেয়ার পাশাপাশি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ আরো কয়েকটি দেশের শীর্ষ নেতারা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন।

 

রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে দেয়া সাক্ষাতকারে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা ও তার মিত্রদের দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, তারা প্রথমে সিরিয়া এবং এর পর সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের ওপর দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছে। তিনি বলেন, পশ্চিম এশিয়ায় পাশ্চাত্যের ষড়যন্ত্র ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা এ অঞ্চলের জাতিগুলো বিশেষ করে ইরান ও রাশিয়ার জন্য বিরাট হুমকি সৃষ্টি করেছে।

 

রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে দেয়া সাক্ষাতকারে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আরো বলেছেন, আমেরিকা ও তার মিত্ররা সামরিক উপায়ে সিরিয়ায় তাদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর এখন রাজনৈতিক সংলাপের কথা বলছে। এ কারণে আমাদেরকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে।

 

এ সাক্ষাতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও ইরানকে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী  ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন দেশ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরান একটি বিশ্বস্ত বন্ধু। প্রেসিডেন্ট পুতিন সিরিয়া ইস্যুতে ইরান ও রাশিয়ার অবস্থানকে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি সিরিয়া সংকটে পারস্পরিক সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, রাশিয়াও মনে করে কেবল আলোচনা এবং সিরিয়ার জনগণের মতামতের প্রতি সম্মান  দেখিয়ে সিরিয়া সমস্যার সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, সিরিয়ার জনগণের ওপর বাইরে থেকে কোনো কিছু চাপিয়ে দেয়ার অধিকার কারোর নেই।

 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এর আগে নাইজেরিয়া ও ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে দেয়া সাক্ষাতকারেও বিভিন্ন ইস্যুতে পাশ্চাত্যের দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা করে বলেছেন, আমেরিকাকে কখনো বিশ্বাস করা যায় না। এ কারণে আইএসআইএল বা বোকো হারামের মতো উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে মোকাবেলা করার জন্য আমেরিকাসহ পাশ্চাত্যের দেশগুলোর ওপর নির্ভর করার ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, নির্ভরযোগ্য তথ্যে জানা গেছে, আমেরিকা এবং এ অঞ্চলের আরো কয়েকটি দেশ সরাসরি আইএসআইএলকে সহযোগিতা করছে। এ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে এ দেশগুলোও শরীক। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, আমেরিকা একই লক্ষ্যে তবে ভিন্ন কৌশলে ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতেও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে এবং ওই এলাকাকে তাদের অভয়ারণ্য বলে মনে করছে। তবে ভেনিজুয়েলার মতো বিপ্লবী দেশগুলোর সচেতনতার কারণে এ দেশগুলো নিজেদের স্বাধীনতা ও পরিচয় অটুট রাখতে সক্ষম হয়েছে।

 

পশ্চিম এশিয়ায়ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করার জন্য আমেরিকা তার অনুগত সন্ত্রাসীদেরকে সাহায্য করছে। এ ব্যাপারে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, সন্ত্রাসীদের প্রতি আমেরিকার এই সমর্থন প্রমাণ করে তাদের কোনো সম্মানজনক কূটনীতি নেই। তিনি বলেন, বিশেষ প্রেক্ষাপটে পরমাণু নিয়ে আলোচনা হলেও সিরিয়া কিংবা অন্য কোনো বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় কোনো সংলাপ হবে না।#

 

রেডিও তেহরান/আরএইচ/২৪

 

 

 

 

২৪ নভেম্বর (রেডিও তেহরান): ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী মার্কিন ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সতর্ক থাকতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পশ্চিম এশিয়া নিয়ে আমেরিকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে যা এ অঞ্চলের সব দেশ বিশেষ করে ইরান ও রাশিয়ার স্বার্থের পরিপন্থী।

 

ইরানে অনুষ্ঠিত গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলোর ফোরাম জিইসিএফ’র তৃতীয় শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে পুতিন সোমবার তেহরান পৌঁছেই সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মার্কিন ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিতে হলে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে এবং দু দেশের মধ্যে যোগাযোগ রাখতে হবে।

 

প্রায় দু'ঘন্টাব্যাপী এ সাক্ষাতে আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী বলেন, পুরো পশ্চিম এশিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে আমেরিকার এবং এ জন্য তারা সিরিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এরপর মার্কিনিরা পুরো পশ্চিম এশিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পরিকল্পনা করেছে। এ ষড়যন্ত্র আঞ্চলিক সব দেশ বিশেষ করে ইরান ও রাশিয়ার জন্য মারাত্মক হুমকি।

 

আঞ্চলিক ইস্যুতে বিশেষ করে সিরিয়ার চলমান দ্বন্দ্বে রাশিয়ার ভূমিকার প্রশংসা করে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, এতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মস্কোর তথা প্রেসিডেন্ট পুতিনের অবস্থান অনেক উন্নত হয়েছে। তিনি পুতিনকে উদ্দেশ করে বলেন, “মার্কিনিরা সবসময় তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীকে নিষ্ক্রিয় করে রাখার চেষ্টা করে আসছে কিন্তু আপনি সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছেন।” সর্বোচ্চ নেতা আরো বলেন, মার্কিনিরা সেইসব ইস্যুতে আলোচনা করে যা সামরিক উপায়ে সমাধান করতে ব্যর্থ হয়। মার্কিন সরকারগুলোর এই লক্ষ্য অর্জনের বিষয়ে সতর্ক ও সক্রিয় অবস্থান থাকা দরকার।

 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, সিরিয়ার বৈধ ও গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিষয়ে আমেরিকা যে অবস্থান নিয়েছে তা তাদের অন্যতম দুর্বল নীতি। সিরিয়ার জনগণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আসাদকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করেছে। জনগণের সেই পছন্দকে অস্বীকার করার অধিকার আমেরিকার নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সিরিয়ার যেকোনো সমাধান হতে হবে দেশটির জনগণ ও কর্মকর্তাদের মতামতের ভিত্তিতে।

 

সর্বোচ্চ নেতা বলেন, আইএসআইএল বা দায়েশসহ সব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সরাসরি ও পরোক্ষ সহায়তা দিয়ে আসছে আমেরিকা যা তাদের আরেক নিশ্চিত অপরাধ। সন্ত্রাসীদের প্রতি আমেরিকার এই সমর্থন প্রমাণ করে তাদের কোনো সম্মানজনক কূটনীতি নেই। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশে আমেরিকা এমন শাসকদেরকে সমর্থন করে যাদের পাশে জনগণ নেই।

 

সর্বোচ্চ নেতা রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে স্পষ্ট করে বলেছেন, পরমাণু ইস্যু ছাড়া সিরিয়া কিংবা অন্য কোনো দ্বিপক্ষীয় ইস্যুতে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা করবে না ইরান। তিনি বলেন, সিরিয়ায় সন্ত্রাসীরা যে নারকীয় তাণ্ডব চালাচ্ছে তা যদি পুরোপুরি বন্ধ না হয় তাহলে এই সন্ত্রাসীরা মধ্য এশিয়া এবং বিশ্বের অন্যান্য জায়গায়ও ছড়িয়ে পড়বে।

 

সর্বোচ্চ নেতা তার বক্তব্যের এক পর্যায়ে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে ইরান ও রাশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে স্বাগত জানিয়ে তা আরো উন্নত করার কথা বলেন। পরমাণু ইস্যুতে তিনি বলেন, বিষয়টির যদিও এক ধরনের সমাপ্তি এসেছে তবে আমেরিকাকে বিশ্বাস করে না ইরান এবং এ বিষয়ে তেহরান চোখ-কান খোলা রেখেছে। ইরানের বিষয়ে রাশিয়ার অবস্থানেরও প্রশংসা করেন আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী।

 

সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে পুতিন বলেন, সিরিয়া ইস্যুতে তেহরান ও মস্কো খুবই ঘনিষ্ঠ অবস্থান নিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তার দেশ মনে করে সিরিয়া সমস্যার সমাধান হবে শুধুমাত্র রাজনৈতিক উপায়ে এবং দেশটির জনগণের চাহিদার ভিত্তিতে।

 

তিনি পরিষ্কার করে বলেন, সিরিয়া ইস্যুতে নিজের ইচ্ছা দামেস্কের ওপর চাপিয়ে দেয়ার অধিকার কোনো দেশের নেই। এছাড়া, সিরিয়ার সরকারের কাঠামো এবং কে প্রেসিডেন্ট হবেন তা জনগণের পক্ষ হয়ে ঠিক করে দেয়ারও এখতিয়ার কারো নেই। এ সময় পুতিন জানান, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রাশিয়া বিমান হামলা অব্যাহত রাখবে এবং সিরিয়া সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের ক্ষেত্রে তেহরান-মস্কো সহযোগিতা জোরদার করতে হবে। নিরাপত্তা, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইরানের সঙ্গে সক্রিয় সহযোগিতার বিষয়ে পুতিন তার দেশের অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন।

 

আলোচনা শেষে রুশ প্রেসিডেন্ট একখানা কুরআন শরীফ ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে উপহার দেন। মুলব্যান এ উপহারের জন্য আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী পুতিনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।#

 

রেডিও তেহরান/এসআই/২৪

 

২৩ নভেম্বর (রেডিও তেহরান): ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়িকে পবিত্র কুরআন উপহার দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এটি হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো কুরআনগুলোর একটি।

একটি চমৎকার বাক্সে করে রাশিয়া থেকে কুরআনটি সঙ্গে নিয়ে এসেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

 

আজ (সোমবার) তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে নেমেই ভ্লাদিমির পুতিন সরাসরি চলে যান সর্বোচ্চ নেতার কাছে। সেখানে তিনি সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন এবং পবিত্র কুরআন উপহার দেন। সর্বোচ্চ নেতা মূল্যবান কুরআন শরিফটি পড়ে দেখেন এবং এ জন্য পুতিনকে ধন্যবাদ জানান।

 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা যখন কুরআন শরিফটি পড়ে দেখছিলেন তখন তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন ভ্লাদিমির পুতিন।

 

পুতিন ইরানে অনুষ্ঠানরত গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলোর ফোরাম বা জিইসিএফ’ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তেহরানের মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান ইরানের যোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মাহমুদ ভায়েজি।#

 

তেহরান রেডিও/এসএ/২৩

১৮ নভেম্বর (রেডিও তেহরান): ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, বিশ্বজুড়ে ইসলাম-বিরোধী মনোভাব উসকে দেয়ার লক্ষ্যেই সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে তাকফিরি সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আইএসআইএল বা দায়েশ।

 

 তিনি বলেন, ক্ষমা ও শান্তির ধর্ম হচ্ছে ইসলাম এবং আমাদের ধর্ম এ ধরনের সন্ত্রাসী আক্রমণ চালানোর কোনো অনুমতি দেয় না। প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, আমেরিকা ও ইউরোপে অনেক মুসলমান বসবাস করেন এবং এ ধরনের তৎপরতার মাধ্যমে কেবল ইসলাম বিরোধী মনোভাবই উসকে দেয়া হচ্ছে।

 

 

তিনি বলেন, সন্ত্রাসী তৎপরতার শিকার হচ্ছে নিরীহ শিশু-নারীসহ বেসামরিক মানুষ। ইরান সব ধরণের সন্ত্রাসী তৎপরতার নিন্দা জানায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের সন্ত্রাসী তৎপরতা ঠেকানোর জন্য বিশ্বের সব দেশের মধ্যে ঐক্য এবং দৃঢ় মনোবলের প্রয়োজন রয়েছে।

 

আইএসআইএল সন্ত্রাসীদের অর্থের উৎস চিহ্নিত করারওপর গুরুত্বারোপ করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলায় ১৩২ জন নিহত ও সাড়ে তিনশ’ ব্যক্তি আহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ বক্তব্য দিলেন ইরানে প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি।#

 

তেহরান রেডিও/সমর/১৮