এই ওয়েবসাইটে আর আপডেট হবে না। আমাদের নতুন সাইট Parstoday Bangla
শুক্রবার, 08 এপ্রিল 2016 11:01

ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে মুসলিম বিশ্ব : পরবর্তী টার্গেট কোন্ দেশ?

আনোয়ারুল হক আনোয়ার আনোয়ারুল হক আনোয়ার

আনোয়ারুল হক আনোয়ার: দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর বিশ্বে মুসলিম দেশগুলো চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বসনিয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম সম্প্রদায় একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের স্বপ্ন দেখার পরপরই পশ্চিমা মদদপুষ্ট সার্ব বাহিনীর নৃশংসতা দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের ভয়াবহতাকে হার মানিয়েছে। সে সময় ব্রিটিশ যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার বেশ দম্ভক্তির সূরে বলেছিলেন, “ইউরোপের মাটিতে কখনো মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হতে দেয়া যায় না।” তার এ বক্তব্যের পর পরই সার্ব সেনারা হায়েনার মত বসনিয়া নীরিহ মুসলমানদের রক্ত নিয়ে হোলি খেলায় মেতে ওঠে। শেষতক মুখ রক্ষার্থে তখন পশ্চিমা মদদপুষ্ট ও মেরুদণ্ডহীন জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ নামক দুইটি সংস্থার উদ্যোগে বসনিয়ায় যুদ্ধ বিরতি কার্যকর হলেও নির্যাতিত মুসলমানরা সার্ব বাহিনীর নৃশংসতার কোন প্রতিকার পায়নি।

 

ফিলিস্তিনিদের বাঁচা মরার অধিকারকে সমর্থনের অপরাধে মিশর ও সিরিয়াকে নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয় সত্তরের দশক থেকে। মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতকে উচিত শিক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে ১৯৬৭ সালে আগ্রাসন চালায় পশ্চিমাদের আশির্বাদপুষ্ট ইহুদিবাদি ইসরাইল। এরসময় মিশরের সেনাবাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হবার পাশাপাশি সিরিয়া ও মিশরের বিস্তীর্ণ এলাকা দখলে নেয় ইসরাইল। শেষতক ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তির সুবাদে মিশর হারানো ভূখণ্ড ফিরে পেলেও গোলান মালভূমি এখনো ইসরাইলি বাহিনীর কব্জায় রয়েছে।

 

১৪০০ হিজরীর প্রথম দিন ফজরের নামাজের পূর্বে আচমকা পবিত্র মক্কা শরীফ দখলে নেয় একটি সশস্ত্র অস্ত্রধারী গোষ্ঠী। ঘটনার পর পরই সৌদি সেনাবাহিনীর সাড়াঁশী অভিযানে অস্ত্রধারীরা পরাভূত হয়। পরে আটককৃত অস্ত্রধারীদের পরিচয় জানা যায়, তারা ওতাইবা গোত্রের লোক। কিন্তু এরা অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র কোথায় পেল কিংবা মহান আল্লাহর ঘর দখল করার উদ্দেশ্য কী ছিল-তা অজানা থেকে গেছে।

 

সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট হাফেজ আল আসাদ ছিলেন কট্টর ইসরাইল বিরোধী। আরব লীগের অনুরোধে তিনি ৩০ হাজার সিরীয় সেনাকে চরম ঝুঁকির মধ্যে বেকা উপত্যাকায় মোতায়েন করেন। দীর্ঘ ত্রিশ বছর বেকা উপত্যাকায় মোতায়েতকৃত সিরীয় সেনাবাহিনীর সাথে ইসরাইলি সেনাদের বেশ কয়েকটি ভয়াবহ যুদ্ধ সংগঠিত হয়। পরে অবশ্য ইসরাইলের সাথে মধ্যপ্রাচ্যের কতিপয় মুসলিম দেশের সখ্যতা গড়ে উঠলে সিরিয় সরকার বেকা উপত্যাকা থেকে তার বাহিনী প্রত্যাহার করে নেয়। বলে রাখা প্রয়োজন যে, সিরীয় প্রেসিডেন্ট হাফেজ আল আসাদকে অপসারণের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি ষড়যন্ত্র শক্তিশালী সিরীয় সেনাবাহিনী বানচাল করে দেয়। হাফেজ আল আসাদের মৃত্যুর পর তার পুত্র ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ইসরাইল বিরোধী অবস্থান গ্রহণের ফলে আজ সিরিয়ার পরিণতি বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করছে।

 

২.

আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেন পরিস্থিতিও একই সূতোয় গাঁথা। প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন ও কর্নেল মুয়াম্মার আল গাদ্দাফী তাদের শেষ সময় পর্যন্ত অযাচিতভাবে পশ্চিমাদের দিকে ঝুঁকে পড়ে। উদ্দেশ্য ছিল, পশ্চিমাদের সাথে বন্ধুত্ব করলে আজীবন ক্ষমতায় থাকা যাবে। কিন্তু স্বার্থপর মিত্ররা দুই শাসককে নির্মমভাবে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশ দু’টিকে বিরান ভূমিতে পরিণত করার ষড়যন্ত্রের ছক কষতে থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে, সাদ্দাম ও গাদ্দাফী পশ্চিমাদের ষড়যন্ত্র মোটেই আঁচ করতে পারেনি উপরন্তু সাদ্দামের মাধ্যমে ইরানের সাথে দীর্ঘ আট বছর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে ইরাক। যুদ্ধে ফলাফল ছিল চরম আত্মঘাতী। এতে উভয় দেশের লক্ষাধিক সেনা ও নীরিহ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। ফলে সামরিক শক্তিতে উভয় দেশ উর্বল হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে সাদ্দামকে প্রলুব্ধ করে কুয়েত দখল নাটক মঞ্চস্থ করে পশ্চিমা শক্তি। শেষতক বহুজাতিক বাহিনীর ব্যানারে সাদ্দামকে পাকড়াও করে সমৃদ্ধশালী ইরাককে দোজখে পরিণত করা হয়। লিবিয়ার গাদ্দাফীকেও একই পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে। বর্তমানে এ দু’টি দেশে নৈরাজ্যকর বিরাজ করছে। লিবিয়ায় কে আসল সরকার আর কে নকল সরকার সেটা বুঝার উপায় নেই।

 

আফগান জাতিও একই পরিণতি ভোগ করছে। আফগানিস্তান কব্জা করতে পশ্চিমা বাহিনী সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। দীর্ঘ দুই দশকের যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশটিতে কয়েক লক্ষাধিক নীরিহ মানুষ হতাহত হওয়া ছাড়াও অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। আফগান, ইরাক ও লিবীয় জনগণের রক্তের দাগ কাটতে না কাটতে সিরিয়া মিশন শুরু করে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদি শক্তি। পশ্চিমারা সিরিয়া যুদ্ধে সুবিধা করতে না পেরে অবশেষে সৌদি আরবকে দিয়ে ইয়েমেনি জাতির বিরুদ্ধে একতরফা যুদ্ধ বাঁধিয়ে দেয়। রাশিয়া ও ইরান কর্তৃক কঠোর পদক্ষেপের ফলে এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত সিরিয়া ও ইয়েমেন যুদ্ধে মার্কিন মিত্ররা পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। সিরিয়া যুদ্ধে অর্ধ কোটি মানুষ আজ পরবাসী। দেশটির ৭৫ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে। সিরিয়া যুদ্ধে তুরস্ককেও জড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তুরস্ক একমাত্র মুসলিম দেশ যারা কিনা ন্যাটো সামরিক জোটের অন্যতম সদস্য। কিন্তু তাতে কি? তারাও মুসলমান। সুতরাং যা হবার এখন তাই ঘটছে তুরস্কে। অপরদিকে তুরস্ককে এখন রাশিয়ার প্রতিপক্ষ করে ফেলা হয়েছে। সিরীয় যুদ্ধে তুরস্কের ভূমি ব্যবহার করে বিদ্রোহীরা অনেক দূর এগিয়েছিল। কিন্তু রাশিয়ার তীব্র অভিযানের মুখে এরা এখন কোনঠাসা।অপরদিকে তুরস্ক এখন সন্ত্রাসের শিকার। যুদ্ধ কিংবা বোমা বিস্ফোরণে প্রতিনিয়ত মানুষ মরছে তুরস্কে।

 

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র পরিবর্তনের মাধ্যমে এতদ্বঞ্চলের মুসলিম দেশগুলোকে খণ্ড বিখণ্ড করে দুর্বল করে ফেলা এবং পশ্চিমাদের ‘সোনার ডিম’ বলে পরিচিত ইসরাইলকে সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ রাখার উদ্দেশ্য নিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যকে টার্গেট করা হয়। কিন্তু ক্ষমতালোভী স্বৈরশাসক ও রাজা বাদশাদের অযোগ্যতা ও সীমাহীন ব্যর্থতার চরম খেসারত দিতে হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে।

 

৩.

আফগান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে হাজার হাজার অস্ত্রধারী সৃষ্টি করে আমেরিকা। সে সময় পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষিত বিদ্রোহীরা সোভিয়েত সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে। যুদ্ধের নেপথ্যে আমেরিকা তথা পশ্চিমা বিশ্ব সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সেনা প্রত্যাহারের পর আফগান উপজাতি, গোত্র এমনকি প্রতিটি অঞ্চলে সংঘাত সৃষ্টি হয়। অপরদিকে আফগান অভিযানের সময় পাকিস্তানের মাটিতে অসংখ্য সন্ত্রাসীগোষ্ঠী সৃষ্টি হয়। আজ যার খেসারত দিতে হচ্ছে পাকিস্তানের নীরিহ জনগণকে। পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য পশ্চিমারাই দায়ী। এটা খোদ পাকিস্তানের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ একবাক্যে স্বীকার করেছেন।

 

আলজেরিয়া ও তিউনিশিয়ায় বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনায় যাদেরকে দায়ী করা হচ্ছে-তারাই পশ্চিমা মদদপুষ্ট অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। মিশর সরকার প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। হতাহত হচ্ছে প্রতি ঘন্টায়। মিশরের সিনাই উপত্যাকায় সন্ত্রাসীদের দুর্ভেদ্য ঘাঁটি রয়েছে। এটা পশ্চিমারা দীর্ঘদিন থেকে অবহিত ছিল। কিন্তু মিশরের সার্বভৌমত্ব যখন হুমকির সম্মুখীন তখন মিশরীয় সেনাবাহিনী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে।

 

আফ্রিকার মুসলিম অধ্যুষিত নাইজেরিয়াও একই পরিস্থিতির শিকার। ক্যামেরুন, ঘানা, সেনেগাল ও কেনিয়ায় সন্ত্রাসী হামলা পরিচালিত হচ্ছে। মোদ্দা কথা, বিশ্বের সকল মুসলিম দেশকে অস্থিতিশীল রাখার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে চলেছে। মুসলমানদের মধ্যে সীমাহীন অনৈক, গোত্রে গোত্রে এমনকি মাজহাব নিয়ে দ্বন্ধ সৃষ্টি, বিনা অজুহাতে এক দেশ অপর দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া, এক মুসলিম দেশকে শায়েস্তা করতে পশ্চিমাদের দারস্থ হওয়া নিত্যকার ব্যাপার। আর এসব অভ্যন্তরীণ সংকটকে কাজে লাগিয়ে উকৌশলে মুসলিম দেশগুলোকে দুর্বল করে ফেলা হচ্ছে। এতে করে মুসলমানদের দুঃখ-দুর্দশা আরো চরম আকার ধারণ করছে।

 

ইরাক ও লিবিয়ায় কথিত রাসায়নিক ও জীবানু অস্ত্রের অজুহাতে দেশ দু’টি ধ্বংস করা হয়েছে। অথচ পশ্চিমাদের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। দেশটি এক প্রকার ঢাকঢোল পিটিয়ে পারমানবিক ও হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। অর্থাৎ উত্তর কোরিয়া তার অস্ত্র ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করছে। পশ্চিমারা উত্তর কোরিয়ার ধারেকাছে পৌছতে সাহস করছে না। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার স্থলে আজ যদি কোন্ মুসলিম দেশ একাজ করতো-তাহলে পরিস্থিতি কি হতো? এটাই হচ্ছে মুসলিম দেশগুলোর বিরুদ্ধে প্রকৃত ষড়যন্ত্র।

 

ইরান নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে তিন দশক পূর্বে। ভাগ্য সুপ্রসন্ন বলতে হবে ইরানি জাতিকে। তারা নিজেদের মধ্যে সীসাঢালা ঐক্য স্থাপন করে শত্রুপক্ষকে দেখিয়ে দিয়েছে যে, শত্রুর বিরুদ্ধে আমরা কঠোর ঐক্যবদ্ধ। তা না হলে অনেক আগেই ইরানকে কব্জা করে ফেলত পশ্চিমারা। লেবাননকে সন্দেহের চোখে দেখছে আমেরিকা। কারণ দেশটির অখণ্ডতা রক্ষায় বিশ্বের শ্রেষ্ঠ জিহাদি সংগঠন ‘হিজবুল্লাহ’ অপশক্তিকে কোনো ছাড় দিতে নারাজ। আর সে জন্যই হিজবুল্লাহকে কালো তালিকাভূক্ত করাসহ লেবানন সরকারকে সাহায্য প্রদান বন্ধ করেছে কয়েকটি দেশ। অবশ্য এর নেপথ্যে কাজ করছে সৌদি আরব। তিউনিশিয়ার প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি হিজবুল্লাহর প্রশংসা করে যে বিবৃতি দিয়েছে তাতে আমার সন্দেহ ঘনীভূত হচ্ছে যে, কবে আবার তিউনিশিয়াকে টার্গেট করা হয়।

 

মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সমঝোতা কিংবা ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার কোন আলামত আমি দেখছি না। কয়েক মাস পূর্বে সৌদি আরব হঠাৎ করে কয়েকটি দেশের সমন্বয়ে মুসলিম সামরিক জোট গঠন করে। কিন্তু অতীত ইতিহাস পর্যালোচনা করলে বিষয়টি পরিস্কার হবে যে, সৌদিসহ উপসাগরীয় রাজা-বাদশাদের ওপর আস্থা রাখা যায় না। আমেরিকার নেতৃত্বে পশ্চিমা শক্তি এবং ইসরাইলের সাথে এদের সুসম্পর্ক রয়েছে। সুতরাং আমেরিকা ইসরাইলকে সন্তুষ্ট রেখে এরা আজীবন ক্ষমতায় থাকার স্বপ্ন দেখছে। ওহাবী, তাকফিরি, সালাফীসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সৃষ্টি মাধ্যমে এরা একদিকে যেমন মুসলমানের বিতর্কিত জাতি হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে অপরদিকে মাজহাব নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে ফায়দা লোটার অপচেষ্টায় লিপ্ত। ইরাক, লিবিয়া ও সিরিয়ায় বিদ্রোহী গোষ্ঠী হিসেবে যারা যুদ্ধ করছে-তারা উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ, আমেরিকাসহ পশ্চিমা বিশ্ব ও ইসরাইল থেকে অস্ত্রশস্ত্র ও প্রশিক্ষণ লাভ করছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল মুসলিম দেশগুলো নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে। বিশ্বে মুসলমানদের অভ্যন্তরীণ বিরোধকে পুঁজি করে বিরোধীরা অনেক দূর এগিয়েছে। ফলে যে কোনো মুহূর্তে যে কোনো মুসলিম দেশ আগ্রাসনের শিকার হতে পারে।# (এআর)

 

 

লেখক: সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক ইনকিলাব এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক

 

(মতামত প্রকাশিত বক্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব, রেডিও তেহরানের সম্পাদকীয় বিভাগের আওতাভূক্ত নাও হতে পারে।)

 

 

 

 

মন্তব্য লিখুন


Security code
রিফ্রেস দিন