এই ওয়েবসাইটে আর আপডেট হবে না। আমাদের নতুন সাইট Parstoday Bangla
বৃহস্পতিবার, 28 এপ্রিল 2016 19:03

হেল্পলাইনে ফোন করে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাবেন বিচারপ্রার্থীরা

হেল্পলাইনে ফোন করে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাবেন বিচারপ্রার্থীরা

‘পাঠক! আমাদের প্রাত্যহিক অনুষ্ঠান কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আজ ২৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবারের কথাবার্তার আসরের শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকের বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

 

প্রথম আলো অনলাইন: অধ্যাপক রেজাউল হত্যাকাণ্ড ‘উদ্বেগজনক’: শিক্ষামন্ত্রী

সমকাল অনলাইন: জেএমবি সদস্যদের বিরুদ্ধে সাক্ষী হাজিরে ব্যর্থ পুলিশ

ইত্তেফাক অনলাইন: আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে নিহত ১

 

ভারতের খবর:

 

আনন্দবাজার: চড় মারুন কিন্তু চোর বলবেন না: মমতা

বর্তমান: প্রায়শ্চিত্তের রাজনীতির শুরুটা কি করতে পারবে সিপিএম?

আজকাল অনলাইন: পাক সীমান্তে চালু হল লেসার দেয়াল

 

তো, শ্রেতাবন্ধুরা! শিরোনামের পর এবার বাংলাদেশ ও ভারতের -সবচেয়ে আলোচিত খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ তুলে ধরছি।

 

১৬৪৩০ নম্বরে ডায়াল করলে দেশের সব নাগরিক আইনি সহায়তা পাবেন। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এই সেবামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত এ খবরে আরো বলা হয়েছে,

শেখ হাসিনা বলেছেন, এই হেল্পলাইনে ফোন করে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার মাধ্যমে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাবেন দেশের স্বল্প আয়ের ও অসহায় বিচারপ্রার্থী নাগরিকরা।

 

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেছেন, বহু মানুষ বিচার পান না, বিচার না পাওয়াদের মধ্যে তিনিও একজন ভুক্তভোগী বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা বলেন, অনেকে মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর ধরে কারাগারে পড়ে আছেন। তাদের কল্যাণেই জাতীয় আইনগত সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। এসব বন্দীদের তালিকা করে আইনি সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

 

মামলার জট নিরসনে অতিরিক্তি বিচারক নিয়োগ দেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। হেল্পলাইন খোলার উদ্যোগটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। তবে এ প্রশ্নও অনেকে করছেন কেন বহু মানুষ বিচার পান না! কেন মানুষ বিনা বিচারে আটক আছে।

..........

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংসদে দেয়া বক্তব্য ছাপা হয়েছে আমাদের সময় অনলাইনে। খবরটিতে বলা হয়েছে- দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মানুষ এখন ন্যায়বিচার পাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকায় দেশে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। ফলে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি দৃঢ়তর হচ্ছে। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক সরকারের গৃহীত ব্যবস্থার ফলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

 

এদিকে, মানবজমিন অনলাইনে বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের মন্তব্য ছাপা হয়েছে। সরকারের ইশারার বাইরে দেশে গুম-খুন হয় না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি তার ভাষায় বলেছেন, গুম-খুনের সঙ্গে নাকি বিএনপি-জামায়াত জড়িত। তাহলে প্রধানমন্ত্রী কি বসে বসে ঘোড়ার ঘাস কাটেন? পুলিশ বাহিনী কি করে? এসব চাপাবাজি জনগণ ভালভাবেই বুঝেন, সরকারের উদ্দেশ্য কি? কোন ঘটনা ঘটলেই সরকার বলে দেয়- বিএনপি জামায়াত জড়িত। ধরা পড়ার পর দেখা যায় আসলে তা নয়। এগুলো দৃশ্যমান মিথ্যা কথা। সরকারের ইশারার বাইরে এসব ঘটনা হয় বলে জনগণ মনে করে না।

 

............

 

সুন্দরবনে ‘বিশেষ সতর্কতাজারি- এ শিরোনামটি দৈনিক ইত্তেফাকের।

খবরে লেখা হয়েছে, এক মাসের মধ্যে চতুর্থবার আগুন লাগার পর সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জে ‘বিশেষ সতর্কতা’ জারি করেছে বনবিভাগ। বৃহস্পতিবার থেকে এই রেঞ্জে প্রবেশের পাস-পারমিট দেয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

 

বন সংরক্ষক (সিএফ) মো. জহির উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, এর ফলে জেলে, মৌয়াল, বাওয়ালী বা সাধারণ মানুষের চলাচল সংরক্ষিত করা হয়েছে।

 

বুধবার বিকাল পৌনে চারটার দিকে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের ২৫ নম্বর কম্পার্টমেন্টের তুলাতলা এলাকায় আগুনের সূত্রপাত হয়। এর আগে সুন্দরবনে আরো আগুন লাগে।

 

এদিকে সুন্দরবনে আগুন লাগার ঘটনার কারণ উদঘাটনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়। বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (আইন) মো. মোজাহেদ হোসেনকে প্রধান করে গঠিত ছয় সদ্যসের এই কমিটিকে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

 

সুন্দরবনে বারবার আগুন লাগার রহস্য কি তা নিয়ে পর্যবেক্ষকমহল থেকে প্রশ্ন উঠছে। তারা মনে করছে সুন্দর বনে আগুন লাগানো হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে। এরপেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে।

 

তবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন যেন কোনো ষড়যন্ত্রের থাবায় পড়ে ধ্বংস না হয় সে প্রত্যাশা করছে সবাই।

 

............

 

দৈনিক সমকালের নির্বাচন সম্পর্কিত খবর- কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে লাল্টু মোল্লা (৪০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী বলেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘন বরদাশত করা হবে না।

 

এদিকে মানবজমিন অনলাইনের নির্বাচন সম্পর্কিত খবরে বলা হয়েছে, পুরো নির্বাচন ব্যবস্থার ওপরই জন অনাস্থা তৈরি হয়েছে। এটা অব্যাহত থাকলে মানুষের মধ্যে আরও হতাশা তৈরি হবে, সহিংসতা আরও বাড়বে। বিপজ্জনক হবে ভবিষ্যৎ। ইউনিয়ন পরিষদ নামে মাত্র প্রতিষ্ঠান থাকবে, হারাবে কার্যকারিতা। ইউপি নির্বাচন এখন শুধু প্রশ্নবিদ্ধই নয়, বরং গুলিবিদ্ধও।

 

তবে সুষ্ঠু নির্বাচন না হওয়ার ক্ষেত্রে শুধু ইসিকে দায়ী করলে চলবে না। সরকারের দায়দায়িত্বও রয়েছে। গতকাল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় কথাগুলো বলেছেন স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ও দেশের বিশিষ্টজনরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলাম বলেন, বাস্তবসম্মত কারণেই আমরা সবাই হতাশ। নির্বাচনের মান নিয়ে প্রশ্ন তুললে বলা যায়- এটা কোনো গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এমএম আকাশ বলেন, নির্বাচনী গেজেটে যেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইসি, সেটা তারা রাখতে পারেনি। ইসি বলছে, যাদের ওপর আমাদের নির্ভর করতে হয়, তাদের ওপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। এটা হতাশাজনক।

 

.......

 

বাংলাদেশের পর এবার ভারতের নির্বাচন সম্পর্কিত খবরের চুম্বক অংশ তুলে ধরছি।

 

দৈনিক বর্তমানের খবর- ষষ্ঠ দফার ভোটের প্রাক্কালে গতকাল তিন শিবিরের বাগযুদ্ধে সরগরম হল পশ্চিমবঙ্গের-রাজনীতি। জোটের মঞ্চে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একদা কট্টর কংগ্রেস বিরোধী রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য যখন তৃণমূলকে হটিয়ে বিজেপিকে রুখে দেয়ার ডাক দিচ্ছেন, তখনই তার উত্তরসূরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জোট ও গেরুয়া বাহিনীকে এক লাইনে বসিয়ে ষড়যন্ত্রী বলে তোপ দাগছেন। অপরীক্ষিত শক্তি হিসাবে তার দলকে তুলে ধরতে কংগ্রেস ও তৃণমূলের ভ্রষ্টাচার এবং বামেদের অপশাসনের অতীতকেই নিশানা করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। পরস্পর বিরোধী এই লড়াই রাজ্য-রাজনীতির চিরপরিচিত মেরুকরণ ভেঙে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিতকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। যার অনিবার্য পরিণতি স্বস্তি দিতে পারে সারদা-নারদ কণ্টকিত মমতা শিবিরকে।

 

........

 

দৈনিক আনন্দবাজারের শিরোনাম- চড় মারুন কিন্তু চোর বলবেন না: মমতা, এ শিরোনামের খবরে লেখা হয়েছে, চোর মনে করলে তাকে যেন মানুষ ভোট না দেন— পাটুলির প্রচারসভায় বলেছিলেন দিন দুয়েক আগে। বুধবার বেহালা চৌরাস্তার সভায় চমকে দেওয়া যে বাক্যটি প্রয়োগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাকে ‘তূণের শেষ অস্ত্র’বলেই মনে হচ্ছে অনেকের। নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে ভোট আগামী শনিবার। তার আগে এ দিন দিদি বলে বসেছেন, ‘‘যদি আমার কোনও অন্যায় হয়, আমাকে দু’দুটো চড় মারুন! আমি কিছু ভাবব না। কিন্তু চোর বললে, কুৎসা, অপমান করলে গায়ে লাগে।’’

 

তো পাঠক! এই ছিল আজকের কথাবার্তার আসরে সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ খবরের অংশ। এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন।#

 

গাজী আবদুর রশীদ/২৮

 

মাধ্যম

মন্তব্য লিখুন


Security code
রিফ্রেস দিন