এই ওয়েবসাইটে আর আপডেট হবে না। আমাদের নতুন সাইট Parstoday Bangla
শুক্রবার, 01 এপ্রিল 2016 13:46

ইরানে পালিত হচ্ছে প্রকৃতি দিবস

ইরানে পালিত হচ্ছে প্রকৃতি দিবস

ফার্সি নববর্ষের তেরতম দিবসটির নাম ‘প্রকৃতি দিবস’ ফার্সিতে বলা হয় রুজে তাবিয়াত। এদিনে ইরানের পার্কগুলো হয়ে পড়ে অস্থায়ী নিবাস যেন। বনবাস মানে প্রকৃতির নিবীড় সান্নিধ্যে সময় কাটানোর এক অনবদ্য দিন এটি।

 

প্রাচীনকাল থেকেই ইরানিদের মাঝে এই উৎসবের প্রচলন চলে আসছে। তবে ইসলামি বিপ্লব-পূর্বকালে এই দিবসটিকে বলা হত ‘সিজদাহ বেদার’। একটা বিশেষ আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে পালন করা হত এই দিবসটিকে। এখনো সেইসব আনুষ্ঠানিকতার কিছুটা রেশ রয়ে গেছে। প্রথম পর্যায়ে পড়বে বিশেষ খাবার দাবার প্রসঙ্গ। সেকানজাবিন লেটুস, চোগলে বাদাম ইত্যাদি খাওয়া হত সিজদাহ বেদারে। সেকানজাবিন হলো সিরকা, মধু, পানি ইত্যাদির মিশ্রণে তৈরি এক ধরনের পানীয়। এই তরল পানীয় শরবতের মতো কিংবা লেটুসে মেখে খাওয়া সিজদাহ বেদারের একটা ঐতিহ্যবাহী প্রথা ছিল। সিরকা সহযোগে আনগাবিন খাওয়া হয় বলে সেকানজাবিন নাম হয়েছে। আনগাবিন শব্দটি মূলে ছিল আরবি আনজাবিন। সে কারণেই সেকানজাবিন হয়েছে। আরেকটি বাদাম জাতীয় খাবারের নাম হলো চোগলে বাদাম ইংরেজিতে বলা হয় ‘গ্রিন অ্যালমন্ড’-এই সবুজ বাদামটি সিজদাহ বেদারের বিকেলে এখনও খাওয়া হয় প্রচুর পরিমাণে।

 

ইরানে বসন্ত ঋতু শুরু হয় বছরের শুরু থেকে। প্রথম তিন মাস বসন্ত ঋতু। বসন্তু মানেই হলো সবুজের সমারোহ, নতুনের বিস্তার। নবীন কিশলয় মাটির বুক চিরে বেরিয়ে এসে ছড়াবে সবুজ মখমলি আমেজ। মাঠের পর মাঠ আর বাগবাগিচাগুলো সবুজের মায়া ছড়িয়ে দোলা দেবে মনে-এটাই স্বাভাবিক। এই বিচিত্র সবুজের মাঝে ফোটে কত যে রঙীন ফুল তা গুণে শেষ করা কঠিন। চারদিকে এরকম একটি পরিবেশ যদি থাকে,আর তার মাঝে থাকে যদি একটি তাঁবু, না না, একটি নয়, তাঁবুর পরে তাঁবু, তাহলে কেমন হবে বলুন তো! এই উপলব্ধিটা বাস্তবে পেতে হলে ফারসি নতুন বছরের তেরতম দিনে চলে আসতে হবে ইরানের যে-কোনো পার্কে। #

মন্তব্য লিখুন


Security code
রিফ্রেস দিন